সুস্থ হয়ে একদিনে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন ১০১ জন করোনা রোগী হাওড়ার ফুলেশ্বরের সঞ্জীবন হাসপাতাল থেকে

29th May 2020 7:44 pm হাওড়া
 সুস্থ হয়ে একদিনে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন ১০১ জন করোনা রোগী হাওড়ার ফুলেশ্বরের সঞ্জীবন হাসপাতাল থেকে


এপার বাংলা প্রতিবেদন,উলুবেড়িয়া: আবারও করোনা রোগীদের সুস্থ করে বাড়ি ফেরানোর সাফল্য অর্জন করল হাওড়ার ফুলেশ্বরের সঞ্জীবন হাসপাতাল। একদিন এই হাসপাতালের ১০১ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন। হাততালি দিয়ে হাসপাতাল কর্মীরা তাঁদের অভিনন্দন জানান।একের পর এক হুইল চেয়ারে করে বসে রয়েছেন রোগীরা। তাঁদের প্রত্যেকের মুখে মাস্ক। ওই রোগীদের ঘিরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন চিকিত্‍সক এবং হাসপাতাল কর্মীরা। এছাড়াও রয়েছেন রাজ্য শ্রম দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী ডাঃ নির্মল মাজি, উলুবেড়িয়া পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক ইদ্রিস আলি, ডাঃ শুভাশিস মিত্র। সকলের মুখে লেগে রয়েছে অকৃত্রিম হাসি। শুক্রবার সকালে রোগী, চিকিত্‍সক এবং হাসপাতাল কর্মীদের হাসিতেই যেন উত্‍সবের পরিবেশ তৈরি হয় ফুলেশ্বরের সঞ্জীবন হাসপাতালে। কারণ, এদিন ওই হাসপাতালে ভরতি থাকা রোগীদের মধ্যে ১০১ জন করোনা রোগী সুস্থ হন। তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয় শুক্রবার। হাততালি দিয়ে করোনা যোদ্ধাদের অভিনন্দন জানানো হয়।

হাসপাতাল সূত্রে খবর, এই হাসপাতালে এখনও পর্যন্ত মোট ৩৫৪ জন করোনা রোগী ওই হাসপাতালে ভরতি। তাঁদের মধ্যে ১৩১ জন মহিলা, ২০১ জন পুরুষ এবং বাকি ২২ জন শিশু। তাঁদের মধ্যে ১০১ জন সুস্থ হয়ে শুক্রবার বাড়ি ফেরেন। তাঁরা কেউ হাওড়া আবার কেউ হুগলির বাসিন্দা। হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুল্যান্সে করে সোজা বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হয় তাঁদের। সঞ্জীবন হাসপাতালের ডিরেক্টর ডাঃ শুভাশিস মিত্র বলেন, '১০১ জন রোগীকে সুস্থ করে বাড়ি ফেরাতে পেরে আমরা আনন্দিত।' ডাঃ নির্মল মাজি এবং বিধায়ক ইদ্রিশ আলিও সঞ্জীবন হাসপাতালের প্রত্যেক চিকিত্‍সক এবং কর্মীদের প্রশংসা করেছেন। বিধায় ইদ্রিশ আলি, 'আমরা গর্বিত।' উল্লেখ্য, এর আগে করোনা আক্রান্ত অন্তঃসত্ত্বা মহিলা এই হাসপাতালের চিকিত্‍সকদের তত্‍পরতায় সুস্থ সন্তানের জন্ম দেন।





Others News

পরিযায়ীদের নিয়ে ট্রেন হাওড়ায় ঢুকতে দিতে চায় না রাজ্য, রেলকে চিঠি নবান্নের

পরিযায়ীদের নিয়ে ট্রেন হাওড়ায় ঢুকতে দিতে চায় না রাজ্য, রেলকে চিঠি নবান্নের


এপার বাংলা প্রতিবেদন,কলকাতা পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে ট্রেন হাওড়ায় ঢুকতে দিতে চায় না রাজ্য। রেলকে চিঠি দিয়ে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন বাংলায় ঢোকার বিকল্প রুট জানাল রাজ্য সরকার। রাজ্যের নির্দিষ্ট করে দেওয়া রুটেই যাতে পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে ট্রেন ঢোকে সেব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে আবেদন জানানো হয়েছে ওই চিঠিতে।একটানা লকডাউনের জেরে দেশের একাধিক রাজ্যে আটকে পড়েন লক্ষ-লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিক। পরিযায়ীদের নিজেদের রাজ্যে ফেরাতে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন চালাচ্ছে রেলমন্ত্রক।তবে পরিযায়ীরা তাঁদের নিজেদের রাজ্যে ফিরতেই একের পর এক রাজ্যে করোনার সংক্রমণ ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ছে। বাংলাতেও পরিযায়ীরা ভিনরাজ্য থেকে ফিরতেই করোনার সংক্রমণ একলাফে অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে।

সেই কারণেই রাজ্যের তরফে এবার জোরদার তত্‍পরতা শুরু হয়েছে। রেলকে দেওয়া এক চিঠিতে রাজ্যের তরফে বলা হয়েছে, দক্ষিণ ভারত ও মহারাষ্ট্র থেকে আসা ট্রেন খড়গপুর, ডানকুনি, বর্ধমান, রামপুরহাট, মালদহ হয়ে এনজেপি যাবে। উত্তর ভারত থেকে আসা ট্রেনও আসানসোল, দুর্গাপুর, রামপুরহাট হয়ে এনজেপির দিকে যাবে।পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে ট্রেন হাওড়ায় ঢুকতে দিতে চাইছে না রাজ্য সরকার। নবান্নের তরফে দেওয়া চিঠিতে সেকথা স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। দিনকয়েক আগেই শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন রাজ্যে ঢোকা নিয়ে মুখ খুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, রাজ্যের সঙ্গে কোনও আলোচনা না করেই একের পর এক ট্রেন পাঠাচ্ছে রেল। একসঙ্গে এত লোকের করোনা পরীক্ষা করাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে রাজ্যকে। সেই কারণেই করোনার সংক্রমণ ব্যাবক হরে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।